সূফীদের সংগ্রামী জীবন (পর্ব-৩) | ইজহারুল ইসলাম
দ্বিতীয় হিজরী শতকের সূফীগণ দ্বিতীয় হিজরী শতকের বিখ্যাত দুই বুজুর্গ, আবিদ ও জাহিদ হলেন, মুহাম্মাদ বিন ওয়াসি ও মালিক ইবনে […]
দ্বিতীয় হিজরী শতকের সূফীগণ দ্বিতীয় হিজরী শতকের বিখ্যাত দুই বুজুর্গ, আবিদ ও জাহিদ হলেন, মুহাম্মাদ বিন ওয়াসি ও মালিক ইবনে […]
দ্বিতীয় হিজরী শতকের অন্যতম সূফী ছিলেন ইমাম মালিক ইবনে দিনার রহ। ত্বরীকত ও তাসাউফের শীর্ষস্থানীয় ইমাম ছিলেন তিনি। কুনুজুল আউলিয়া
ইমাম যাহাবী রহ. তার সম্পর্কে বলেন : তিনি ছিলেন তাবেয়ীদের সর্দার এবং সমকালীন দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ যাহেদ ব্যক্তিত্ব। বিশুদ্ধ বর্ণনা অনুযায়ী
আলকমা ইবনে মারসাদ রহ. (মৃত:১২০ হি:) বলেন, আটজন তাবেয়ীর মাঝে জুহদ (দুনিয়া বিমুখতা) সবচেয়ে বেশি ছিল। তারা হলেন, ১. আমের
৮১. অনেক সময় আমরা দৈনন্দিন নফল আমলের তালিকা করে রাখি: অমুক সময়ে এত পারা তিলাওয়াত করবো, দিনের অমুক মুহূর্তটাতে এত
ইশার ওজু দিয়ে ফজরের সালাত আদায় সালাফী শায়খ ইবনে জিবরীন রহ. বলেন, هكذا حرص هؤلاء الصحابة- رضي الله عنهم- على
পূর্বের আলোচনায় অনেক সাহাবী ও তাবেয়ী থেকে বর্ণণা করা হয়েছে যে, তারা একই রাকাতে সম্পূর্ণ কুরআন খতম করেছেন। কেউ কেউ
হযরত উমর রা. এর ইবাদত: ইমাম ইবনে কাসীর রহ. আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়াতে হযরত উমর রা. এর জীবনী আলোচনা করেছেন। তিনি
মির্জা গোলাম আহমাদ কাদিয়ানি ছিলেন ইহুদি খ্রিস্টানদের খেলনা পুতুল। তাকে তারা যেভাবে নাচিয়েছে, তিনি সেভাবেই নেচেছেন। যা বলতে বলেছে, তাই
৭১. দীনের দিকে আসুন— এই বার্তা আজ মানুষের কাছে ভুলভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে৷ মানুষ ভাবছে দীনের দিকে ধাবিত হওয়া বুঝি দুনিয়াকে
(শায়খ আহমাদ মুসা জিবরিলের লেকচার সিরিজের অনুবাদ ‘ধূলিমলিন উপহার রমাদান’ অবলম্বনে) ১. রমাদানে বান্দার জন্য তিনটি সুযোগ আসে। সিয়াম, কিয়াম,
৬১. আমাদের এক দুর্ভাগ্যের কথা বলি— আমরা আজ মুসলমান কেবল মসজিদে৷ জামাতের সাথে পাঁচবার নামাজ আদায় করছি, রমজান এলে তোড়জোড়ের