বদরের তলোয়ার | তাজরিয়ান আলম আয়াজ
১. উমাইর ঘোড়ার পিঠে বসে আছে। ঘোড়ার পিঠে বসার জন্য তৈরি করা আসন বেশ শক্ত ধরনের হয়েছে, বসে তেমন আরাম […]
১. উমাইর ঘোড়ার পিঠে বসে আছে। ঘোড়ার পিঠে বসার জন্য তৈরি করা আসন বেশ শক্ত ধরনের হয়েছে, বসে তেমন আরাম […]
দ্বিতীয় হিজরী শতকের সূফীগণ দ্বিতীয় হিজরী শতকের বিখ্যাত দুই বুজুর্গ, আবিদ ও জাহিদ হলেন, মুহাম্মাদ বিন ওয়াসি ও মালিক ইবনে
ইমাম যাহাবী রহ. তার সম্পর্কে বলেন : তিনি ছিলেন তাবেয়ীদের সর্দার এবং সমকালীন দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ যাহেদ ব্যক্তিত্ব। বিশুদ্ধ বর্ণনা অনুযায়ী
নবিজি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরবের বুকে যে দাওয়াত প্রচার করেছিলেন ধীরে ধীরে সেই দাওয়াত ছড়িয়ে পড়েছিল অর্ধবিশ্ব জুড়ে।
আধুনিক গবেষকদের কেউ কেউ বলতে চান সাহাবায়ে কেরাম বিজিত এলাকার মূর্তি ভাঙ্গেননি। সদ্যপ্রয়াত হাল যামানার মিসরী আলিম শায়েখ মুহাম্মাদ ইমারাহ
পশ্চিমারা জনসাধারণের মনে ইসলামফোবিয়া তথা ইসলাম ভীতি জাগ্রত করতে বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় বুলি ব্যবহার করে থাকে। তন্মধ্য হতে একটি হচ্ছে,
একজন শাসক। একজন যোদ্ধা। একজন সেনাপতি। জীবনে তিনি ৫৪টি জিহাদে অংশগ্রহণ করেছেন কিন্তু কখনোই পরাজিত হননি। তাঁর পতাকা কখনো ভূলুণ্ঠিত
কাগজের জন্ম কোন দেশে, এমন প্রশ্নের জবাবে আমরা সকলে একবাক্যে বলি—চীনে। সভ্যতার গতিপথ বদলে দেওয়া অনন্য এই আবিষ্কারের জন্য আজও
১. ইতিহাস হলো কালের দর্পণ। একথা যুগে-যুগে বিজ্ঞজনেরা বলে গেছেন। দর্পণ কিংবা আয়নায় যেমন ভেসে ওঠে মানুষের প্রতিচ্ছবি, তেমনি ইতিহাসের
এককালে তিন মহাদেশে রাজত্ব করা ইসলামবুলের খিলাফতে উসমানীয়্যাহর পতন ঘটলো। ফলস্বরূপ কাফেরদের চক্রান্তের বিরুদ্ধে মুসলিমদের ঐক্যবদ্ধ করে প্রতিরোধ গড়ে তুলার
অষ্টম হিজরির জুমাদাল উলা মোতাবেক ৬২৯ খ্রিষ্টাব্দের আগস্ট। আরবের মরুভূমির কোল থেকে মুতার রণক্ষেত্রের উদ্দেশ্যে বেরিয়েছেন তিন প্রকৃত বীর। তিন
জুলাই, ১৯২১ সাল। জেনারেল ফারনান্দেজ সিলভেস্টের নেতৃত্বে প্রায় পঁচিশ হাজার স্প্যানিশ সৈন্য মার্চ করছে মাগরিবের রিফ অঞ্চলের দিকে। লক্ষ্য মুসলিম