কারবালা ও ইয়াযিদ : বহুল প্রচলিত কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর | ইমরান রাইহান
মহররম এলেই কিছু মানুষের সুপ্ত সাহাবা-বিদ্বেষ জেগে উঠে। আহলে বাইতের প্রতি ভালোবাসার নামে তারা আক্রমণ করে সাহাবিদের সম্মান ও মর্যাদার […]
মহররম এলেই কিছু মানুষের সুপ্ত সাহাবা-বিদ্বেষ জেগে উঠে। আহলে বাইতের প্রতি ভালোবাসার নামে তারা আক্রমণ করে সাহাবিদের সম্মান ও মর্যাদার […]
গল্পটা শুনেছি খতিবে আযম হাবিবুল্লাহ মিসবাহ রহিমাহুল্লাহর মুখে। – কৃষক সিদ্ধান্ত নিল ঘোড়াটা বিক্রি করে দিবে। কোনো কাজে আসে না।
ভাষান্তর – ইমরান রাইহান ১ দিল্লি সালতানাতের ব্যপ্তি ছিল প্রায় সোয়া তিনশো বছর।[1] এ সময় বেশকিছু রাজবংশ শাসন করেছিল। ভারতবর্ষের
হাজ্জাজ বিন ইউসুফ সিরিয়ার এক ব্যক্তিকে বসরার কাজী নিযুক্ত করেন। তার নাম ছিল আবু হুমাইর। এক শুক্রবারে আবু হুমাইর মসজিদে
৫ মে ১০৯৭ খ্রিস্টাব্দ। নিকিয়া। দিনের শুরুতে প্রখর রোদ ছুঁয়ে গেল জলপাই বাগান, ফসলের মাঠ, স্বচ্ছ পানির নহর ও প্রাচীন
আলেমদের প্রতি শাসকদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার প্রমাণ মেলে আলেমদের সাথে তাদের আলাপচারিতা থেকে। শাসকরা যখন আলেমদের সাথে কথা বলতেন, তখন
আলেমদের ইন্তেকালের পর স্পষ্ট হত মানুষের মনে তাদের প্রতি ভালোবাসা কতটা গভীর ছিল। আলেমদের মৃত্যু সংবাদ মানুষকে গভীর শোকাহত করতো,
সালাফদের জীবন পর্যালোচনা করলে আমরা দেখি জনসাধারণের মনে তাদের প্রতি ছিল শ্রদ্ধা ও সম্মান। সালাফরা নিজেদের ইলম ও আমলের মাধ্যমে
সিরিয়া। ১৩২ হিজরী। সদ্যই পতন ঘটেছে বনু উমাইয়ার শাসনের। রক্ত ও লাশের সারি মাড়িয়ে ক্ষমতার মসনদে বসেছে আব্বাসিরা। তাদের তরবারি
শহর এবং মানুষগুলো ছিল স্বপ্নের মত। সূর্যের আলো মসজিদের জানালার কাঁচে প্রতিফলিত হতেই শুরু হত দিনের ব্যস্ততা। লম্বা পোশাকের প্রান্তদেশ
ঘুমাতে পারছেন না হাজ্জাজ বিন ইউসুফ। চেষ্টা করছেন জেগে থাকতে, কারণ ঘুম এখন তার কাছে আতংকের অপর নাম। কিন্তু কতক্ষণ
মদীনা। ৬৫ হিজরী। হজ্বের সফরে এসেছেন খলিফা আবদুল মালেক ইবনে মারওয়ান। একদিন দুপুরে মসজিদে নববীর পাশে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন তিনি। বাইরে