সমরকন্দ বিজেতা কুতাইবা বিন মুসলিম | ইমরান রাইহান
কুতাইবা বিন মুসলিমের জন্ম ৪৯ হিজরিতে, হজরত মুয়াবিয়ার শাসনকালে। কুতাইবার পিতা মুসলিম ছিলেন ইয়াজিদ বিন মুয়াবিয়ার বন্ধু। বসরায় কুতাইবার পরিবারের […]
কুতাইবা বিন মুসলিমের জন্ম ৪৯ হিজরিতে, হজরত মুয়াবিয়ার শাসনকালে। কুতাইবার পিতা মুসলিম ছিলেন ইয়াজিদ বিন মুয়াবিয়ার বন্ধু। বসরায় কুতাইবার পরিবারের […]
সময়টা শঙ্কা-দুশ্চিন্তা ও বিচলতা-বিহ্বলতার। আশা-নিরাশার দোলাচলে দুলছে সময়। কার্নিশে ঝুলে থাকা মাকড়সার জালের মতো সবকিছু অনিশ্চয়তায় ঝুলে আছে। জীবনচলা থমকে
তিনি ছিলেন কঠোর স্বভাবের একজন সুলতান ও সেনাপতি। তিনি আঘাত হানতেন বিদ্যুতগতিতে। শত্রুদের জন্য তার মনে কোনো দয়া বা করুনার
যদি মুসলিম তরুণদের জিজ্ঞেস করা হয় খাইরুদ্দিন বারবারোসার কথা, তাহলে দেখা যাবে অধিকাংশই তাকে চেনে না।যারা চেনে তারাও হয়তো এটুকুই
৬১৮ হিজরী। সমরকন্দ থেকে ধেয়ে আসছে চেঙ্গিজ খানের বাহিনী। উদ্দেশ্য খাওয়ারেজম সাম্রাজ্যের রাজধানী (বর্তমান উজবেকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে অবস্থিত আরজেঞ্চ শহর)
ইবনে নাদীম, পুরো নাম আবুল ফারাজ মোহাম্মদ বিন ইসহাক আন নাদীম, বিস্ময়কর আল ফিহরিস্ত বইয়ের লেখক, তিনি ছিলেন একজন প্রসিদ্ধ
একজন শাসক। একজন যোদ্ধা। একজন সেনাপতি। জীবনে তিনি ৫৪টি জিহাদে অংশগ্রহণ করেছেন কিন্তু কখনোই পরাজিত হননি। তাঁর পতাকা কখনো ভূলুণ্ঠিত
তিনটি মহাদেশ জুড়ে বিস্তৃত ছিল তাঁর সাম্রাজ্য। তিনি শাসনক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন ৪৬ বছর। এই সময়ের মধ্যে ১০ বছরই কেটেছে বিভিন্ন
কাগজের জন্ম কোন দেশে, এমন প্রশ্নের জবাবে আমরা সকলে একবাক্যে বলি—চীনে। সভ্যতার গতিপথ বদলে দেওয়া অনন্য এই আবিষ্কারের জন্য আজও
১. ইতিহাস হলো কালের দর্পণ। একথা যুগে-যুগে বিজ্ঞজনেরা বলে গেছেন। দর্পণ কিংবা আয়নায় যেমন ভেসে ওঠে মানুষের প্রতিচ্ছবি, তেমনি ইতিহাসের
১. শীতের বিকেল। শর্ষেফুলের হলদে ছোঁয়ায় জেগে আছে মাঠঘাট। কোনো-কোনোটাতে শর্ষে ধরেছে। চারায়-চারায় অসংখ্য শীষ দুলছে বাতাসে। এখনো ফুল ঝরে
এককালে তিন মহাদেশে রাজত্ব করা ইসলামবুলের খিলাফতে উসমানীয়্যাহর পতন ঘটলো। ফলস্বরূপ কাফেরদের চক্রান্তের বিরুদ্ধে মুসলিমদের ঐক্যবদ্ধ করে প্রতিরোধ গড়ে তুলার